যার মতো পৃথিবীতে আর কোনো রাজা ছিল না। 1.
চব্বিশ:
মাইগ্ররাজ কালা ছিলেন তাঁর স্ত্রী
যিনি রাজার হৃদয়ে বাস করতেন।
তার রূপের সমতুল্য কেউ ছিল না।
বিদ্যাদাটা সেই একটাই সৃষ্টি করেছিলেন। 2.
দ্বৈত:
তাঁর দুই পুত্র জন্মেছিল যারা অগাধ সম্পদের অধিকারী ছিল।
তিন জনের মধ্যে তার গতি ও ভয় বিবেচ্য ছিল। 3.
অবিচল:
প্রথমটির শুভ নাম ছিল বৃখব কেতু
আর অন্যটির নাম ছিল ব্যাঘরা কেতু।
তাদের (দুজনকেই) পৃথিবীতে সুদর্শন এবং শক্তিশালী বলা হত।
(মনে হচ্ছিল) যেন সেই নগরীতে আর একটি সূর্য ও চাঁদ দেখা দিয়েছে। 4.
চব্বিশ:
যখন তারা তরুণ হয়ে ওঠে
আর শৈশব কেটে গেল।
(অতঃপর) তারা বহু শত্রুকে নানাভাবে সুশোভিত করেছিল
এবং তার প্রজা ও দাসদের লালন-পালন করতেন। 5.
দ্বৈত:
(তারা) বিভিন্ন দেশ জয় করেছিল এবং অনেক শত্রু রাজাকে বশীভূত করেছিল।
সেই পুরুষালি রাজারা সকলের মাথায় সূর্যের মতো শুভ ছিল। 6.
প্রথম কুমারীর কিছু রূপ ছিল, কিন্তু দ্বিতীয়টির রূপ ছিল অপরিসীম।
বিভিন্ন দেশের হাজার হাজার নারী তাঁর সেবা করতেন।
সোর্থ:
এই যুবকের মতো সুন্দরী আর কোনো দেশে ছিল না।
তিনি বা অন্য ছিলেন সূর্য, বা চন্দ্র বা কুবের।8।
চব্বিশ:
তার মা ছেলের ছবি দেখে
সাত সুধা সব ভুলে গেল।
তিনি ছোট ছেলের সাথে প্রেম করতে চেয়েছিলেন
(কারণ) কাম (রাণীর শরীরে) খুব ব্যাপক হয়ে গিয়েছিল। 9.
তখন তিনি ভাবলেন স্বামীকে (রাজা) হত্যা করা উচিত
এবং তারপর (জ্যেষ্ঠ) পুত্র যে রাজ তিলককে পেয়েছিল তাকে হত্যা করা উচিত।
ভাবতে লাগলাম কোন চরিত্রটা করব
যে রাজকীয় ছাতা ছোট ছেলের মাথায় ঝুলতে হবে। 10.
(তিনি) একদিন শিব ধুজকে (রাজা রুদ্র কেতু) ডাকলেন
আর মদ খেয়ে মদ খাইয়ে দিল।
তারপর ডাকলেন তিলক-ধারীর ছেলে
এবং তাকে (মদ পান করে) ভালবাসায় আরো মাতাল করে দিল। 11.
দ্বৈত:
স্বামী ও ছেলেকে হত্যার পর হাতে তরবারি টেনে নেন।
সে তার (ছোট) ছেলের কারণে নিজ হাতে তাদের হত্যা করেছে। 12।
চব্বিশ:
ছেলে ও স্বামীকে হত্যা করে কাঁদতে থাকে সে
যে স্বামী ছেলেকে মেরেছে আর ছেলে খুন করেছে স্বামীকে।
দুজনেই মদের নেশায় মত্ত।
(অতএব) তারা নিজেদের মধ্যে ক্রোধ নিয়ে মারামারি করল। 13.