যা বিধায়কও বিবেচনা করতে পারেননি। 26.
এখানে শ্রীচরিত্রোপাখ্যানের ত্রিয়া চরিত্রের মন্ত্রি ভূপ সম্বাদের ৩৩২তম চরিত্রের উপসংহার, সবই শুভ। যায়
চব্বিশ:
রাজন ! (আমি তোমাকে বলছি) একজন কুমারীর গল্প
যিনি খুব জনপ্রিয় একটি চরিত্র করেছিলেন।
পশ্চিম দিকে ছিল একটি শহর।
তিনি হংস মালিনী নামে পরিচিত ছিলেন। 1.
হান্স সান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন।
তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল হংস প্রভা।
তিনি ছিলেন করুণাময়, গুণী ও সুন্দরী।
(তিনি) প্রিয় চৌদ্দ জনের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন। 2.
এক শাহের সুন্দরী কন্যা ছিল
যা দেখে সে (লোকটি) আবার বাঁচবে।
সে যখন যৌবনে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে
তারপর অনেকের সাথে কথা বলা শুরু করলো। 3.
(তিনি) একদিন নিজেকে একজন পুরুষের ছদ্মবেশ ধারণ করলেন
স্বামীর সাথে বড় ঝগড়া হয়েছিল।
সে লাথি ও ঘুষি মারছিল
এবং তিনি তাকে তার স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি দেননি। 4.
সে তার সাথে যুদ্ধ করে কাজীর কাছে গেল
এবং অনুমতি নিয়ে প্যাদা নিয়ে এসেছিল।
সেখানে স্বামীকে টেনে নিয়ে যান তিনি
কোতোয়াল ও কাজী যে স্থান।
স্বামীকে দ্বারে দ্বারে দাঁড় করিয়ে
সেদিন নিজেই মিত্রার কাছে গেল।
তার সাথে কলা নিয়ে কথা বলে
(তাকে) সাক্ষী হিসেবে আনা হয়েছিল। 6.
অবিচল:
দরজায় লোকটিকে দাঁড় করিয়ে পেয়াদা ও স্বামী নিয়ে
সে দিনের জন্য অন্য বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিল।
তার সঙ্গে আগ্রহ নিয়ে কাজ করেছেন।
তাকেও সাক্ষী হিসেবে নিয়ে আসেন। 7.
চব্বিশ:
আমি কতদূর ভান করতে পারি?
এভাবে সে অনেক বন্ধুর বাড়িতে গেল।
সবাইকে সাক্ষী করেছেন
এবং সকল কাজীর নজরে আনা হয়েছে।
সবাই তাকে আপন মনে করত
আর তারা একে অপরের গোপন কথা জানত না।
মহিলা যা বললেন, লোকটিও তাই বলেছে
এবং তারা একে অপরকে বুঝতে পারেনি। 9.
যখন সব সাক্ষী পাশ দিয়ে গেল
তাই মহিলা একটা কথা বললেন।
তখন কাজী তা সত্য বলে মেনে নেন
আর অর্ধেক টাকা ভাগ করে তাকে দিয়ে দেন। 10.
তার রহস্য কেউ বুঝতে পারেনি
এই মহিলা কি চরিত্র দেখিয়েছেন?
অন্যদের সম্পর্কে কেউ কি করা উচিত?