গুরুমুখী ব্যক্তির মনের মতো কালো মৌমাছি সাধু ব্যক্তিদের মণ্ডলীতে যুক্ত থাকে, অহংকার ও অহংকার ত্যাগ করে যা বাঁশের জঙ্গলের মতো। তিনি আসক্তি এবং মোহ ত্যাগ করেন। সত্য গুরুর পদ্মসদৃশ পায়ে মোহিত,
সত্যগুরুর সবচেয়ে সুন্দর রূপ দেখে তার চোখ বিস্মিত হয়। গুরুর বাণীর আনন্দদায়ক ও মোহনীয় নোট শুনে তার কান শান্ত ও প্রশান্তি অনুভব করে।
সত্য গুরুর পায়ের মধুর অমৃতের মতো ধুলোর আস্বাদন করে জিহ্বা অদ্ভুত আনন্দ ও আনন্দ পায়। সত্যগুরুর সেই ধূলিকণার সুগন্ধে নাসিকা বিস্মিত হয়।
সত্য গুরুর পবিত্র পায়ের মিষ্টি গন্ধের প্রশান্তি ও কোমলতা অনুভব করলে শরীরের সমস্ত অঙ্গ স্থির হয়ে যায়। মনের মতো কালো মৌমাছি তখন আর কোথাও ঘুরে বেড়ায় না এবং পদ্মের মতো পায়ে লেগে থাকে। (৩৩৫)